জাবি প্রতিনিধি:
প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও ডিজিটাল সেবার নকশা তৈরির শুরুতেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চাহিদা বিবেচনায় নিতে উদ্ভাবকদের সচেতন করতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রশিক্ষণ কর্মসূচি হয়েছে। সোমবার ‘ইনোভেশন অ্যান্ড ইনক্লুশন’ শীর্ষক এ কর্মসূচির আয়োজন করে জাবি ও অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই)।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে প্রায় ২০০ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক ও তরুণ উদ্ভাবক অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষজ্ঞ হিসেবে বক্তব্য দেন এটুআইয়ের প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন সিএসই বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. আবুল কালাম আজাদ, ড. মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান ও এটুআইয়ের হেড অব ইনোভেশন মো. নাহিদ আলম।
প্রশিক্ষণ সেশন পরিচালনা করেন এটুআইয়ের অ্যাক্সেসিবিলিটি কনসালট্যান্ট ভাস্কর ভট্টাচার্য ও ইনোভেশন কনসালট্যান্ট তৌফিকুর রহমান।
প্রশিক্ষণে ডিজিটাল অ্যাক্সেসিবিলিটি, মানবকেন্দ্রিক ও সার্বজনীন নকশা, সহায়ক প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক অ্যাক্সেসিবিলিটি মানদণ্ড সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়। এ ছাড়া ওয়েব কনটেন্ট অ্যাক্সেসিবিলিটি গাইডলাইন্স (ডব্লিউসিএজি) ও সেকশন ৫০৮-এর শর্ত অনুযায়ী ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ ও ডিজিটাল কনটেন্টের অ্যাক্সেসিবিলিটি যাচাইয়ের পদ্ধতি শেখানো হয়।
‘সমস্যা সমাধানের জন্য উদ্ভাবন ও সবার জন্য উদ্ভাবন’ নীতির আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবনভিত্তিক গবেষণা, উদ্ভাবনের মাধ্যমে অর্থনীতিতে অবদান রাখা এবং উদ্যোক্তা তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।
আয়োজকেরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকেই তরুণ প্রকৌশলী ও উদ্ভাবকদের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক চিন্তা গড়ে তোলা গেলে ভবিষ্যতের ডিজিটাল পণ্য ও সেবা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিসহ সবার জন্য ব্যবহার করা সহজ হবে। তাঁরা আরও জানান, এ উদ্যোগ অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রযুক্তিবিষয়ক গবেষণা ও উদ্ভাবনের সুযোগ বাড়াতেও ভূমিকা রাখবে।