পলি আক্তার, জবি প্রতিনিধি:
ডিকেসি ডিজিটাল রেস্পেক্ট & কোহেশন ফেলোশিপ ২০২৬ হলো একটি আট মাসব্যাপী যুব নেতৃত্ব, উদ্ভাবন ও ডিজিটাল শান্তি প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি।
বাংলাদেশের আটটি বিভাগের প্রতিনিধিত্বকারী মোট ৮টি দল তিন ধাপের মূল্যায়নের মাধ্যমে চূড়ান্ত হয়ে ফেলোশিপ পাবে। প্রতিটি দলে ৩ থেকে ৫ জন সদস্য থাকতে পারে। তবে যদি ৫ জন সদস্য থাকে, তাহলে ৩ জন বুটক্যাম্পে কোর ফেলো হিসেবে অংশ নেবে এবং ২ জন ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নকালে রিজার্ভ সাপোর্ট সদস্য হিসেবে কাজ করবে।
ডিজিটাল খিচুড়ি চ্যালেঞ্জ (DKC) হলো জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (UNDP) ‘পার্টনারশিপস ফর অ্যা মোর টলারেন্ট, ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ (PTIB)’ প্রকল্পের অধীনে একটি যুব-কেন্দ্রিক উদ্যোগ। DKC সংলাপ, আলোচনা, সৃজনশীলতা ও ডিজিটাল উদ্ভাবনের মাধ্যমে তরুণদের ক্ষমতায়নে কাজ করছে — সামাজিক সংহতি, সহনশীলতা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকে সামনে রেখে।
DKC তরুণ নেতা, উদ্ভাবক ও সমাজের অংশীজনদের একত্রিত করে ডিজিটাল পরিসরের চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে এবং যুব-নেতৃত্বাধীন সমাধান তৈরি করে-একইসঙ্গে ঘৃণামূলক বক্তব্য, মিসোজিনি, সাইবার বুলিং ও ক্ষতিকর অনলাইন আচরণের বিরুদ্ধে ইতিবাচক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সংযোগ উৎসাহিত করে।
ফেলোশিপ ৮ মাসের প্রোগ্রামে আট বিভাগের আটটি দলে তিন থেকে পাঁচ জন সদস্য থাকবে। একেক টিমের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা করে বরাদ্দ থাকবে। বাংলাদেশের যে কোন নাগরিক ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী সকলে এটাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। আগামী তিন অক্টোবর এর মধ্যে রেজিস্ট্রেশনটি সম্পন্ন করতে হবে।
এক একটি দল থেকে পাঁচটি থিমের একটির আওতায় কাজ করবে। যেমন:
সাইবার বুলিং ও অনলাইন হয়রানি-
১.সাইবার বুলিং, অনলাইন হয়রানি ও ডিজিটাল নির্যাতন থেকে তরুণদের রক্ষা করতে সরঞ্জাম ও প্রচারণা তৈরি করুন এবং নিরাপদ অনলাইন সম্প্রদায় গড়ে তুলুন।
২.আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতা
৩.জাতিগত সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের অন্তর্ভুক্তি
৪.লিঙ্গ-ভিত্তিক অনলাইন সহিংসতা
৫.দায়িত্বশীল ডিজিটাল নাগরিকত্ব
ফেলোশিপ সময়রেখা
সেপ্টেম্বর ২০২৬ — ফেব্রুয়ারি ২০২৭
এ বিষয়ে ক্যাম্পাস এম্বাসেডর, পিউস সাহা বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বরাবরই বিভিন্ন সামাজিক সমস্যাগুলো নিয়ে ইনোভেটিভ আইডিয়া প্রস্তুত করে এবং অনেক কাজ করার চেষ্টা করে। তবে প্রপার ফান্ডিং এবং গাইডলাইন এর অভাবে অনেকের আইডিয়া থাকলেও এক্সিকিউশন করার সুযোগ হয় না। আমি আশাকরছি এই ফেলোশিপ তাদের জন্য একটা সুবর্ণ সুযোগ এমন কাজ অব্যাহত রাখার। আর তিনদিনব্যাপী আমাদের ক্যাম্পাসে আমরা এই ফেলোশিপ এর প্রচারণা এবং সবাইকে অংশগ্রহণ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করছি। আমরা আশাবাদী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এক্টিভ অংশগ্রহণ থাকবে।’
আবেদন থেকে চূড়ান্ত প্রদর্শনী পর্যন্ত — ছয়টি ধাপে আপনার দল ধারণা থেকে নিজ বিভাগে অর্থায়িত আট মাসের ডিজিটাল শান্তি-নির্মাণ উদ্যোগে পৌঁছাবে।